Cute Orange Flying Butterfly ‎অচিনপুরের আইয়ুব‬: সাময়িক স্ক্যান্ডেল
আস-সালামু আলাইকুম। আমি আইয়ুব আনসারি। আমার লেখাগুলো পড়তে প্রত্যহ ব্লগটি ভিজিট করুন
সাময়িক স্ক্যান্ডেল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাময়িক স্ক্যান্ডেল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৮

নির্বাচন করছেন না সাকিব


সাকিব আল হাসানসাকিব আল হাসানআসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নেওয়ার ব্যাপারে নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। আগামীকাল রোববার তাঁর দলীয় মনোনয়নপত্র কেনার কথা ছিল।
এর আগে সাকিব নিজেই আজ প্রথম আলোর এই প্রতিবেদককে তাঁর নির্বাচন করার আগ্রহের কথা জানিয়ে বলেছিলেন, তিনি মাগুরা-১ আসনের জন্য তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেবেন।
সাকিব আল হাসান শনিবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছি। নির্বাচন করব না।’ আগে নির্বাচন করার কথা জানিয়ে এখন কেন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন—এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাকিব আল হাসান কোনো মন্তব্য করেননি।
নড়াইল থেকে ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজারও আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করার কথা শোনা যাচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে, তিনিও আগামীকাল সকালে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন। 
মাশরাফির পক্ষ থেকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা না হলেও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, সাকিব-মাশরাফি দুজনই রোববার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন।
এর আগে চলতি বছরের ২৯ মে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানের নির্বাচন করার বিষয়ে আভাস দিয়েছিলেন। পরদিন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘আগামী বিশ্বকাপের আগে সাকিব ও মাশরাফি রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন না।’ 

সোর্সঃ প্রথম আলো 

বি চৌধুরীর বাসায় কাদের সিদ্দিকী

এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, কাদের সিদ্দিকীএ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, কাদের সিদ্দিকীকৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী আজ শনিবার সন্ধ্যায় বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বাসায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন।
যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা সভাপতির প্রেস সচিব জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর হঠাৎ করেই কাদের সিদ্দিকী আসেন। চা খেয়ে কিছুক্ষণ পরেই তিনি চলে যান।
এ ব্যাপারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, বি চৌধুরীকে জাতীয় ঐক্যে আসার জন্য অনুরোধ করতেই তিনি গিয়েছিলেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন ও বি চৌধুরীকে নিয়ে কাদের সিদ্দিকী একসঙ্গে কাজ করতে চান। তবে যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান কী বলেছেন, সে ব্যাপারে তিনি জানেন না বলে জানান।
বি চৌধুরীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হওয়ার সময় কাদের সিদ্দিকী তাদের সঙ্গে থাকলেও ওই জোটে যোগ দেননি। আর বি চৌধুরীসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে ছাড়াই ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। আর সেখানে গত ৫ নভেম্বর কাদের সিদ্দিকী যোগ দেন।
তবে যোগ দেওয়ার আগে থেকেই কাদের সিদ্দিকী বি চৌধুরী ও কামাল হোসেনকে এক মঞ্চে হাজির করার চেষ্টা করেছেন। ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেওয়ার দিনও তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘এখন তিনি আসছেন না, পরে হয়তো আসবেন।’
source:- prothom alo

মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮

আইয়ুব বাচ্চু জাহান্নামী ??



ভূমিকা ছাড়াই বলতে গেলে এভাবে বললে ভুল হবেনা যে, গত কয়েকদিন ধরে অর্থাৎ আইয়ুব বাচ্চু'র মৃত্যুর পর থেকে তাকে কেন্দ্র করে ভার্চুয়াল জগতে আর
বাস্তবে যা চলছে  যা ঘটছে তা দেখতে দেখতে অনেকাংশেই বিরক্ত হয়ে পড়েছি।
একদল তার মৃত্যুতে কান্নায় বুক ভাঁসাচ্ছেন আবার আরেকদল বলছেন তিনি জাহান্নামের খড়ি।
প্রত্যেকেই যখন কিছু না কিছু লিখে যাচ্ছেন তখন আমি বাদ যাবো কেনো?
সেই অধিকারেই লিখতে বসলাম...
.
(ক)
একজন মানুষ। সে যে ধর্মেরই হোক না কেনো, মৃত্যুর পর অবশ্যই ইসলামী শারীয়াহ্‌ নিয়ন্ত্রিত / নির্দেশিত ঘটনার সম্মূখীন হবে এতে নূন্যতম সন্দেহ নেই । বরং
সন্দেহের অবকাশও নেই।
কৃত কর্মের ফল তিনি অবশ্যই পাবেন। ভালো'র বিনময়ে ভালো আর খারাপের বিনিময়ে খারাপ। এমনটি প্রায় প্রত্যেক ধর্মেররই মূল বাণী।
.
(খ)
আইয়ুব বাচ্চু! নামটা শুনলেই আমরা একজন প্রসিদ্ধ নবীর নিদর্শন খুঁজে পাই। আইয়ুব বাচ্চু'র মাতা-পিতা হয়তো সচেতন ছিলেন । যার চিহ্ন তার নামের মাঝেই
দৃশ্যমান।
তবে এটা অবশ্যই তার জন্য দূর্ভাগ্য যে, তিনি একজন নবীর আদর্শে আদর্শবান হবার সুযোগ খুঁজে নেননি। বরং তিনি তার জীবনকে নষ্ট করেছেন হারাম গান চর্চার
মাধ্যমে। তিনি বাস্তব জীবনে কি কি করেছেন তা আমাদের কারোই জানা নেই। তবে ভালো কাজ করে থাকলে আল্লাহ তার সঙ্গে ভালো আচরণই করবেন।
সঙ্গত কারণে আমার বাস্তব জীবনের একটি গল্প বলতে বাধ্য হচ্ছিঃ-
.
তখন আমি ছোট, তবে ঘটনা পুরোপুরি মনে আছে।
একদিন আমাদের পারিবারিক কোন এক অনুষ্ঠানে #আইয়ুব বাচ্চু'র দলবলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। আর তা অবশ্যই গান গাওয়ার জন্য। যখন তারা আসলেন তারপর আপ্যায়ণ করা হলো। আপ্যায়ণ শেষে
আমি লক্ষ্য করলাম ওনারা পর্দার আড়ালে লুকিয়ে লুকিয়ে কিছু খাচ্ছেন। আমি ছোট বলে তেমন কিছু বুঝিনা। তাই চলে গেলাম ওনাদের সামনে। আর বললাম, " আমিও কোকো খাবো।"
কারণ, তাদের হাতে আমি বোতলে কিছু দেখেছিলাম যা তারা পান করছেন। আমি সেই বয়সে হয়তো কোকো বেশিই খেতাম তাই লোভ সামলাতে পারিনি।
তখন আইয়ুব বাচ্চু আমাকে বললেন, " বাচ্চাদের কোকো খেতে হয়না বুঝেছ!" এই বলে আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসলেন। এরপর বলবেন, "বাহ্‌! একদম পুতুলের মতো একটি মেয়ে।' এই বলে আমার গাল টেনে দিলেন।
সেই সময় আমার বড় ভাইয়া এসে আমাকে ওনাদের সামনে থেকে নিয়ে গেলেন।
.
(গ)
আমি জানি, আল্লাহ আমাদের বলেছেন অন্যের দোষ গোপন করতে। এর ফলে আল্লাহ আমাদের দোষগুলো বিচারের দিনে গোপন রাখবেন। আর তাই আমি দোষ চর্চার পক্ষে না। কিন্তু সঙ্গত কারণেই এসব সামনে উঠে আসছে।
উপরোল্লোখিত গল্পের মাঝে উনারা মজা করে যা খাচ্ছিলেন তা নিশ্চয়ই কোক নয়। এটা নিশ্চয় নেশা জাতীয় কিছু। যাকে সোজা বাংলায় #মদ বলা হয়।
আরেকটি দিকে লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পাই, গতদিনে জাতীয় কোন এক পত্রিকার নিউজ ছিল এমন যে আইয়ুব বাচ্চুর কতোগুলো #গিটার আর একটি বাড়ি ছাড়া কিছুই নেই।
গিটার নিঃসন্দেহে বাদ্যযন্ত্র। আর এটার ব্যবহার চর্চা করা বা কাউকে এর দিকে আকৃষ্ট করা অথবা এর দ্বারা গান বাজনা করা নিঃসন্দেহে হারাম।
আমরা রাসূল সাঃ এর হাদীস অনুযায়ি জানতে পারি , যদি কোন ব্যক্তি ভালো কাজ প্রতিষ্ঠা করে যান তবে কিয়ামত পর্যন্ত তার একটা নেকির অংশ মাইয়্যেতের আমলনামায় যোগ হবে।
আবার খারাপ কাজ প্রতিষ্ঠা করলেও ঠিক তেমনই গুণাহ্‌ যুক্ত হতে থাকবে ।
আমরা স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছি আমাদের আলোচ্য মাইয়্যেত গানের ফেরিওয়ালা ছিলেন । যা হারাম এবং নাযায়েজ। সুতরাং তার একটা অংশ চিরকাল তিনি পাবেন। এটাই হাদিস দ্বারা প্রমানিত হয়।
আবার সেই গানের টানে ঝড়ছে চোখাশ্রু। ভাঁসছে হাজারো ভক্তের বুক। এর অশ্রুর একটা অংশও তিনি পাবেন। মানে তার পরকালীন জীবনকে এই অশ্রু আরো ভয়াবহ করে তুলবে।
জ্বী, পাঠক সমাজ অবশ্যই বলবেন আপনি এসব বলার কে?
আসলে আমি এখন একজন মতামত প্রদানকারী হিসেবে শুধু আমার মতামত প্রকাশ করে যাচ্ছি। তা আবার শারয়ী মানদণ্ডে।
আমি জানি ২+২= ৪ হয়। আর আমি তাই লিখে যাচ্ছি। আমি জানিনা কিভাবে দুই আর দুই যোগ করে এক বানাতে হয়।
শুধুমাত্র সুত্র মেনে অংক করা আমার অপরাধ হলে আমি নিজেকে অপরাধী মনে করবো না।
.
(ঘ)
এখন আমাদের করনীয় কি?
এখন আমরা অবশ্যই তার আত্মার শান্তির জন্য দু'আ করতে পারি। এর দ্বারা যদি আল্লাহ্‌ তার শাস্তি কমিয়ে দেন তবে তাতে আমাদের কোন ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই।
আর কেউ যদি দু'আ না করেন তাতেও কারো কোন আপত্তি নেই।
তবে আপত্তি আছে আপনাদের ট্রল করা নিয়ে।
মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে ট্রল করা অনুচিত।
আর এমনিতেই আল্লাহ আমাদের নির্দেশ প্রদান করেছেন অন্যের দোষ গোপন করতে। সুতরাং আমরা দোষ চর্চা না করে বরং নিজেদের জীবন সাজানোর পেছনে সময় দিলেই ভালো হয়।
কেননা, আপনার এমন নেতিবাচক সমালোচনাকে সামনে রেখে আল্লাহ যদি পরকালে আপনাকে প্রশ্ন করেঃ হে অমুক! তুমি তো ধর্মপ্রাণ মুসলিম ছিলে। তোমার তো ধর্মের জ্ঞান ছিলো।
গান বাজনা হারাম তা তো তুমি জানতে। আইয়ুব বাচ্চুর জীবদ্দশায় তুমি কি তার নিকট সংশোধনের বাণী নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলে?
তখন আপনি কি জবাব দিবেন?
.
লেখাঃ  আইয়ুব আনসারী 

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

সমালোচক মানেই কি ভয়ংকর অপরাধী?

১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই আইনের পক্ষে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, ‘এই যুদ্ধে যদি রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা দিতে না পারি, রাষ্ট্র যদি বিপন্ন হয়, তাহলে অপরাধটা আমাদেরই হবে।’ অতি উত্তম কথা। রাষ্ট্র নিয়ে তিনি এবং তাঁর সরকার খুবই চিন্তিত। আইনটি না করা গেলে রাষ্ট্রের ওপর গজব নেমে আসবে বলে তাঁদের আশঙ্কা।
গণমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যাঁরা, তাঁদের একটা বড় অংশ সরকারের সমর্থক। তাঁদের অনেকেই এই আইনের সমালোচনা করছেন। তাঁদের দাবি, এই আইন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং মুক্তচিন্তার পথকে বাধাগ্রস্ত করবে। সবচেয়ে বড় বিপদ হলো, মামলা হলে থানায় দারোগার বিবেচনার ওপর ছেড়ে দিতে হবে বিষয়টি ‘অপরাধের’ পর্যায়ে পড়ে কি না, বা ‘অভিযুক্ত’ কত ভয়ংকর যে তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিতে হবে।
পাশের দেশ মিয়ানমার। সেখানে দশকের পর দশক ধরে চলছে কর্তৃত্ববাদী শাসন। মিয়ানমার রাষ্ট্রটি যে মারাত্মক রকম গণবিরোধী এবং মিয়ানমার সরকার যে নিরীহ মানুষের ওপর নির্বিচারে গণহত্যা চালাচ্ছে, এ ব্যাপারে বাংলাদেশের সরকার ও গণমাধ্যম মোটামুটি একমত। তো সে দেশের একটি সংবাদ খুব ছোট করে ছেপেছে এ দেশের একটি দৈনিক, ভেতরের পাতায়।
কিন্তু খবরটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ মনে হলো। খবরে প্রকাশ, মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ফেসবুকে পোস্ট করার অভিযোগে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সাবেক এক কলাম লেখককে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাজা পাওয়া এই লোকের নাম নাগার মিন সোয়ে। স্টেট কাউন্সেলর সু চির বিরুদ্ধে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট লেখার জন্য তিনি আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। সু চি সম্পর্কে জনগণের মধ্যে খারাপ অনুভূতি তৈরি করতেই তিনি এ কাজ করেছেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ (সূত্র: এএফপি, ইয়াঙ্গুন)।
মিয়ানমারেও ৫৭ ধারা বা ৩২ ধারা অথবা এ–জাতীয় ব্যাপারস্যাপার আছে কি না, জানা নেই। তবে সে দেশে বাক্স্বাধীনতা আছে, এমন দাবি আমাদের দেশের কট্টর মিয়ানমারপ্রেমীও করবেন কি না সন্দেহ। কিছুদিন আগে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি প্রতিবেদন লেখায় রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে মিয়ানমারের একটি আদালত কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সরব হলেও আমাদের এখানে তা কোনো ঢেউ তুলতে পারেনি। মনে হয়, এই দুই দেশের গণমাধ্যমের অবস্থায় সাদৃশ্য হয়েছে। সরকারকে চটালে তার ফল ভালো হয় না।
এ দেশে এই আইন তৈরির শুরুটা কখন কীভাবে হয়েছিল, জানি না। অনেকেই বলাবলি করেন, ফেসবুকে নানান উসকানিমূলক তথ্য ও মন্তব্যের লাগাম টেনে ধরার জন্যই নাকি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় ফেসবুকে হত্যা ও ধর্ষণের গুজব ছড়ানোর অভিযোগ আছে। এটা মানতেই হবে যে এসব গুজব যাঁরা ছড়ান, তাঁদের অন্য মতলব থাকতে পারে।
প্রশ্ন হলো, সবাই কি গুজবে বিশ্বাস করেন? সবাই কি ফেসবুক ঘেঁটে তথ্য নেন এবং সে অনুযায়ী রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়েন? গুজব ছড়ানো যেমন নিন্দনীয়, তেমনি এ নিয়ে অতি প্রতিক্রিয়া দেখানোর কোনো মানে হয় না।
পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই গণমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের আড়াআড়ি। গণমাধ্যমকে তুমুল প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে টিকে থাকতে হয়। টিকে থাকার জন্যই তাকে ক্রমাগত পেশাদার হয়ে উঠতে হয়। মিথ্যা বা ভুল তথ্য ছেপে খুব বেশি পাঠক বা দর্শককে বেশি দিন ধরে রাখা যায় না। তা যদি যেত, তাহলে চটকদার সংবাদ পরিবেশনকারী ট্যাবলয়েড বা অনলাইন মাধ্যমগুলো আরও জনপ্রিয় হতো। কিন্তু তা হয়নি।
মিথ্যা বলব না, তবে অপ্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বহীন সংবাদ প্রচার করে আমাদের বিটিভি তার আবেদন হারিয়েছে অনেক দিন আগেই। বিটিভি অনেক মানসম্মত অনুষ্ঠান তৈরি ও প্রচার করে, যেখানে বেসরকারি চ্যানেলগুলো অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে আছে। কিন্তু বিটিভির সংবাদ একেবারেই নীরস, একঘেয়ে এবং ক্লান্তিকর।
তবে সরকার যদি গণমাধ্যমের ‘অবাধ স্বাধীনতা’ না চায়, তাহলে বিটিভি ছাড়া অন্যদের সংবাদ প্রচার বন্ধ করে দিতে পারে। এ দেশে যখন বিটিভি ছাড়া অন্য কোনো টিভি চ্যানেল ছিল না, তখন সবাই কি বিটিভির সংবাদের জন্য মুখিয়ে থাকত? বিশ্বাস করত?
গণমাধ্যম যদি নিয়ন্ত্রিত হয়, কিংবা যদি এতে মনোপলি তৈরি হয়, তখন যোগাযোগের অনেক বিকল্প মাধ্যম ও প্রক্রিয়া তৈরি হয়ে যায়। আর এভাবেই এ দেশে সামরিক শাসন বা স্বৈরাচারবিরোধী জনমত তৈরি হয়েছিল। আন্দোলন গড়ে উঠেছিল।
আমরা যখন উপনিবেশ ছিলাম, আমাদের যখন গোলাম করে রাখা হয়েছিল, তখন আমাদের সবকিছু নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা ছিল। পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী শুরু থেকেই ছিল অসহিষ্ণু। সবকিছুর মধ্যেই তারা ষড়যন্ত্র দেখত। সরকারের সমালোচনা মাত্রই ছিল রাষ্ট্রদ্রোহ। ‘ডিফেন্স অব পাকিস্তান’ আইন বানিয়ে তারা বিরোধীদের দিনের পর দিন বিনা বিচারে জেলে আটকে রাখত। এর অন্যতম ভুক্তভোগী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
এটা ১৯৫৬ সালের গোড়ার দিকের কথা। পাকিস্তান গণপরিষদে সংবিধান তৈরির তোড়জোড় চলছে। ৩ ফেব্রুয়ারির অধিবেশনে গণপরিষদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান স্পিকারের উদ্দেশে সংবিধানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বাক্স্বাধীনতার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে বলেছিলেন, ‘আপনারা বলে থাকেন যে বাক্স্বাধীনতা মানেই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা।
আপনি কি জানেন যে, পূর্ববঙ্গে সম্পাদকদের ডেকে বলা হয়, আপনারা এটা ছাপাতে পারবেন না; আপনারা ওটা ছাপাতে পারবেন না। স্যার, তাঁরা সত্য কথা পর্যন্ত লিখতে পারেন না এবং আমি সেটা প্রমাণ করে দিতে পারি। পূর্ব বাংলা সরকার লিখুক আর কেরানি লিখুক, সেটা বড় কথা নয়। নির্দেশটা যায় সচিবালয় থেকে যে আপনি বিষয়গুলো সম্পর্কে লিখতে পারবেন না। সরকারের তরফ থেকে একজন ইনসপেক্টর গিয়ে নির্দেশনা দেন যে, আপনি একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে লিখতে পারবেন না।...
‘স্যার, আমরা সারা দেশের জন্য একটা সংবিধান তৈরি করতে যাচ্ছি। এখানে বসা ৮০ জন ব্যক্তির জন্য শুধু নয়। আমরা চাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত করতে।...
‘এটা পরিষ্কারভাবে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে যে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকবে, তাঁরা তাঁদের ইচ্ছামতো বক্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন এবং জনমত গড়ে তুলতে পারবেন।’
বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে তাঁর অনুগত সৈনিকদের আস্ফালন দেখে কি বিস্মিত হতেন? রাষ্ট্রকে হাতের মুঠোয় আনতে পারলে রাজনীতিবিদেরা কেমন বদলে যান!
মহিউদ্দিন আহমদ: লেখক ও গবেষক
mohi2005@gmail.com 
Source: prothom alo

রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ঘুষ ছাড়া সেবা মেলে না মোংলা ও বুড়িমারীতে: টিআইবি

মোংলা বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানিতে ঘুষ দিতে হয় ব্যবসায়ীদের। সব নথিপত্র ঠিকঠাক থাকার পরেও একেকটি গাড়ির শুল্কায়নে মোংলা কাস্টমস হাউসের ছয়টি বিভাগে ৪ হাজার টাকা এবং সেই গাড়ি ছাড় করতে বন্দরের ১০টি স্থানে ১ হাজার ৭১৫ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। আজ রোববার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
টিআইবির গবেষণা বলছে, কেবল গাড়ি নয়, দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মোংলা দিয়ে যে কোনো পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে নিয়মবহির্ভূত অর্থ দিতে হয় ব্যবসায়ী কিংবা তাঁদের প্রতিনিধিদের। আমদানি পণ্যের প্রতি চালানের (বিল অব এন্ট্রি) বিপরীতে শুল্কায়নের জন্য কাস্টমসে ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। সেই পণ্য বিকেল পাঁচটার মধ্যে ছাড় করতে হলে ৬ হাজার টাকা এবং এর পরে ছাড় করতে হলে বাড়তি ১ হাজার ২০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এ ছাড়া বন্দরে প্রতিটি জাহাজ আগমন ও বহির্গমনে কাস্টমস হাউসে ৮ হাজার ৩৫০ টাকা ও বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ২১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়।
মোংলার পাশাপাশি বুড়িমারী স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন নিয়েও গবেষণা করেছে টিআইবি। সেখানেও পণ্য আমদানি ও রপ্তানিতে নিয়মবহির্ভূত অর্থের লেনদেন বা ঘুষের প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটির গবেষকেরা। এখানে আমদানি পণ্যের প্রতিটি চালানের (বিল অব এন্ট্রি) বিপরীতে শুল্ক স্টেশনে ১ হাজার ৭৫০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। রপ্তানির বেলায় এটি দেড় হাজার টাকা। আবার আমদানি করা পণ্য ছাড় করতে স্থলবন্দরের কর্মকর্তাদের ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। রপ্তানিতে এই ঘুষ ২০০ টাকা।
‘মোংলা বন্দর ও কাস্টম হাউস এবং বুড়িমারী স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন: আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন টিআইবির কর্মকর্তা মনজুর ই খোদা ও মো. খোরশেদ আলম।
দেশে আমদানি হওয়া গাড়ির ৬০ শতাংশ মোংলা বন্দর দিয়ে আসে। এ ছাড়া ক্লিনকার, সার, কয়লা, এলপি গ্যাস আমদানি করা হয় এই বন্দর দিয়ে। রপ্তানি হয় চিংড়ি, পাট, সিরামিক ইত্যাদি পণ্য। ২০১৬-১৭ অর্থবছর মোংলা বন্দর ২২৭ কোটি টাকা ও মোংলা কাস্টমস ৩ হাজার ৯৯ কোটি টাকা আয় করে। অন্যদিকে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও ভুটান থেকে বোল্ডার, সবজিবীজ, ভুট্টা, পেঁয়াজ ইত্যাদি পণ্য আমদানি হয়। তবে আমদানি পণ্যের ৯০ শতাংশের বেশি পাথর। ২০১৬-১৭ অর্থবছর বুড়িমারী স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন ৭২ কোটি ৫০ লাখ টাকা আয় করেছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘মোংলা বন্দর ও বুড়িমারী স্থলবন্দরে যোগসাজশে ও বলপূর্বক দুর্নীতি হচ্ছে। এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে।’
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমরা দেখেছি, আধুনিকায়ন ও ডিজিটালাইজেশন করার মাধ্যমে সেবাগ্রহীতা ও দাতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ কমানো গেলে দুর্নীতি কমে যায়। তবে সেই প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে সুফল পাওয়া যায় না।’

সোর্সঃ প্রথম আলো 

কুষ্টিয়ায় মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে আটক

হত্যাকুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাঁর ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের আংদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই নারীর নাম বানু খাতুন (৪৫)। তিনি আংদিয়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। আটক ছেলের নাম জুয়েল রানা (২৬)। এই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মায়ের কাছে জমি বিক্রির জন্য আবদার করেন জুয়েল রানা। কিন্তু মা এতে বাদ সাধেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। অভিযোগ উঠেছে, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজিত জুয়েল ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাকে কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে আটক করে।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) নূর-ই-আলম সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক জমি বিক্রির বিষয় নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া মাদক কেনার টাকা চেয়ে না পেয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলেও শোনা যাচ্ছে। সব বিষয়ই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। থানায় হত্যা মামলা নেওয়া হচ্ছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান বলেন, থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর ভালো লাগেনি। এ জন্য তিনি এ কাজ করেছেন। 
সোর্সঃ প্রথম আলো

৬৪ জেলার মাটি দিয়ে মানচিত্র

৬৪ জেলার মাটি নিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র তৈরি করেছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার শুভংকর পাল।  ছবি:  প্রথম আলো৬৪ জেলার মাটি নিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র তৈরি করেছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার শুভংকর পাল। ছবি: প্রথম আলোবড় শখ ছিল শুভংকরের, সাইকেলে দেশের ৬৪টি জেলা ঘুরে দেখবেন। বাদ সাধলেন বাবা। বাধা পেলে বুদ্ধি খেলে! দেশের ৬৪ জেলার মাটি সংগ্রহ করে বাংলাদেশের মানচিত্র বানালে কেমন হয়। একসঙ্গে ৬৪ জেলার মাটি স্পর্শ করা যাবে। পাওয়া যাবে একসঙ্গে সারা বাংলার মাটির গন্ধও।
কিন্তু ৬৪ জেলার মাটি সংগ্রহ হবে কীভাবে? ফেসবুকের বন্ধুদের কাছে নিজ জেলার মাটি কুরিয়ারে পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানান শুভংকর। মাটির পরিমাণ বলে দিয়ে কুরিয়ারের খরচ পাঠানোর ইচ্ছেও প্রকাশ করেন। কিন্তু যাঁরা মাটি পাঠিয়েছেন, তাঁরা কেউ টাকা নিতে রাজি হননি।
শুভংকর পালশুভংকর পালকুরিয়ারে প্রথম মাটি আসে নাটোর থেকে। এক মাসের মধ্যেই ২০ জেলা থেকে মাটি চলে আসে শুভংকরের কাছে। ১২ জেলার মাটি নিজেই সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে মেহেরপুরের মুজিবনগরের, ঝিনাইদহের কবি গোলাম মোস্তফার বাড়ির, বাগেরহাটে ষাটগম্বুজ মসজিদ এলাকার, কক্সবাজারের হিমছড়ি পাহাড়ের, মাগুরায় সীতারাম রায়ের বাড়ির, পাবনার এডওয়ার্ড কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মাটি সংগ্রহ করেন শুভংকর। নিজ জেলা ফরিদপুরের মাটি সংগ্রহের ক্ষেত্রে একটু পক্ষপাতিত্ব করেছেন তিনি। ফরিদপুরের মাটি তিনি সংগ্রহ করেছেন নিজ গ্রাম বারাংকুলা থেকে। তাঁর মতে, ‘যে মাটিতে পা রেখে আমি পৃথিবী দেখেছি, ৬৪ জেলার মাটি দিয়ে মানচিত্র বানানোর স্বপ্ন দেখেছি; সেই গ্রামকে বাদ দিব কোন যুক্তিতে?’ শেরপুর, মুন্সিগঞ্জ ও ঝালকাঠির মাটি সংগ্রহে তাঁকে সাহায্য করেছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের বারাংকোলা গ্রামের তরুণ শুভংকর পালের (২৩) বাবা পল্লিচিকিৎসক নিহার রঞ্জন পাল। মা অমৃতা পাল। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়। বাড়িতে কাকা দিলীপ কুমার পাল মাটি দিয়ে বিভিন্ন মূর্তি গড়তেন। কাকার সঙ্গে মাটির কাজে হাত লাগাতেন শুভংকর। বললেন, ‘আমি যেকোনো মানুষের মুখ মাটি দিয়ে গড়ে দিতে পারি।’ এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্নাতক পাস করেছেন ‘ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া’ বিষয়ে।

শুভংকরের নির্মাণ করা বাংলাদেশের মানচিত্র দৈর্ঘ্যে ২৮, প্রস্থে ১৮ ইঞ্চি। মানচিত্রটি রাখা হয়েছে কাচঘেরা একটি কাঠের বাক্সে। মানচিত্রের প্রতিটি জেলা তৈরি হয়েছে সে জেলার মাটি দিয়ে।

শুভংকরের মা অমৃতা পাল বলেন, ‘ও যে কাজ করছে তা শুধু ওর নিজের জন্য নয়; আমাদের পরিবারের জন্য, এ দেশের জন্য গৌরবজনক।’
সোর্সঃ প্রথম আলো

সোমবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৮

Anti sihr recipe / Recipe for anti Black Magic.

Anti Magic recipe


Anti-Sihr recipe. 



* প্রয়োজনীয় উপকরণঃ- 


১।  মধু  ৩৫ - ৪৫%
২।  কালোজিরার তেল  ১৮ - ২৪%
৩।  অলিভ অয়েল  ১৫ - ২০% 
৪।  বরই তেল  ৫ - ৭.৫%
৫।  প্রপোলিস  ২ - ৫%
৬।  লেবু ( অতিরিক্ত ) 

* প্রস্তুতপ্রণালীঃ-

একটি পাত্রে উপরোক্ত সকল উপাদান নির্দিষ্ট অনুপাতে একত্রিত করুন।
ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিন।
( এখানে পানি মিশাবেন না। )
এরপর আপনি সূরা ফাতিহা সহ সূরা বাক্বারাহ্‌ ও আলেইমরান পুরোটা পড়ুন।
পড়ার মাঝে মাঝে মিশ্রণের উপর ফুঁ দিন।
এভাবে পড়া শেষ হলে আপনি রুকইয়া সম্পর্কিত আয়াতগুলো পড়ুন।
আল্লাহ যেহেতু বিজোড় সংখ্যা অধিক পছন্দ করেন তাই অন্তত ৩ বার করে পড়ুন।
সাথে হাদিসের দোয়াগুলোও পড়ুন। যেমন বিসমিল্লাহি আরকিক্ব...... !!

সব পড়া শেষ হলে ঢাকনা বা ক্যাপ দিয়ে পাত্র ঢেকে দিন।
আপনার Anti Sihir Cocktail প্রস্তুত।
এখন আপনি এটি পরিমিত মাত্রায় সেবন করুন বা রোগীকে সেবন করার পরামর্শ দিন।

Note: If you Don't know Bengali, you can translate this site by using Google Translate. 

বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৭

শিশুর কপালে টিপ পড়ানো, তাবিজ, সুতো ইত্যাদি বাঁধা বৈধ কি-না?





আসসালামু আলাইকুম। সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, কেমন আছেন সবাই?
আমি আপনাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি।
আজ আমি আপনাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে অবগত করতে আসলাম।
শিরোনাম দেখে অবশ্যই বুঝে উঠেছেন। জ্বী, আমি শিশুর কপালে টিপ পড়ানোর কথা বলতে চাচ্ছি।

আমাদের মা বোনেরা শয়তান ( জ্বীন এবং মানুষ ) এর কু দৃষ্টি থেকে বাঁচানোর জন্য এই পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন।
আমরা প্রথমেই এর সত্যতা যাচাই করবো এবং তারপর এর বৈধতা / অবৈধতা নিয়ে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ।


সত্যতা যাচাইঃ-

বদনজর বাস্তব সত্য। বদ নজর দু প্রকারে আবির্ভূত হতে পারে।

১। মানুষের মাধ্যমে ও
২। জ্বীনের মাধ্যমে।


মানুষের ঈর্ষাদৃষ্টি অনেক ভয়াবহ। যদি কারো উপর বদনজর পড়ে তবে তার ফলাফল খুবই ভয়ানক হয়ে থাকে।
আর শিশুদের উপর এই বদ নজরের পরিমান টা বেশিই পড়ে।
অপরদিকে আরেক উপায় হচ্ছে জ্বীনের বদ নজর।
যদি কারো উপর জ্বীনের বদনজর পড়ে তাহলে তার বিপদাপদ যেন হাতের কাছে এসে যায়।
জ্বীনদের বদনজর অনেক প্রখর।

এই ধরণের বদনজর থেকে আমাদের বাঁচাটা জরুরি।
বদনজরের সত্যতা দিতে গিয়ে রাসূল সাঃ বলছেনঃ-

নযর বাস্তব সত্য। যদি কোনো কিছু তাকদীর লঙঘন করতে পারত তবে নযর তাকদীর উল্টাতে পারত"

★ মুসলিম (৩৯-কিতাবুস সালাম, ৩৫- তাহরীমিল কাহানাহ) ৪/১৭৫১ (ভারতীয় ২/২২০)।




অর্থাৎ এ থেকে ছোট বড় সবারই বেঁচে থাকা উচিত।

তবে এই ভয়াবহ কু নজর থেকে বাঁচার উপায় কি???

ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান। পৃথিবীতে এমন কোন সমস্যা নেই, যার সমাধান ক্বোরআন আর সুন্নাহের মাঝে নেই।
এ থেকে বাঁচার পথ উন্মুক্ত। কিন্তু, আমরা যে পথ বেছে নিয়েছি তাও শয়তানেরই শিখানো।
সচরাচর আমরা টিপ, তাবিজ, সুতো, গাছের ডাল ইত্যাদি শিশুর শরীরে বেঁধে দিই।
যা শিরকের অন্তর্ভুক্ত।
তাবিজ বা ঝুলানো কিছু ব্যবহার করা ভয়াবহ শির্ক। যা আমরা পূর্বে আলোচনা করেছিলাম এসো আল্লাহর পথে ব্লগে।
এবার প্রশ্ন তো একটা এসেই যায়। তা হলো, তাবিজ সুতো আর টিপ সহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি যদি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ হয় তবে এর থেকে বাঁচবো কিভাবে????

সম্মানিত পাঠক, আমি পূর্বেই বলেছি এর সমাধান আমরা কোরআন আর সুন্নাহ থেকে খুঁজে নেবো।

বদনজর থেকে রোগীকে বাঁচাতে রাসূল সাঃ আমাদের কিছু দোয়া শিখিয়েছেন।
তন্মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী দোয়া টি আমরা উল্লেখ করছি।
এ দোয়া পড়ার মাধ্যমে আমরা বদ নজর সহ সকল ক্ষরিকারক প্রাণির হাত থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় রক্ষা পাবো।


দোয়া টি হচ্ছেঃ-

আঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিও ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি আইনিল লা-ম্মাহ। ( নিজের ক্ষেত্রে)

উইযুকুম বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিও ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি আইনিল লা-ম্মাহ। ( একাধিক জনের ক্ষেত্রে। )

উচ্চারণ করতে অসুবিধে হলে আপনি এখান থেকে শুনে নিতে পারেন।

দোয়াটির অর্থ :-
আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি আল্লাহর পরিপূর্ণ কথাসমূহের, সকল শয়তান থেকে সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণি থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

স্বয়ং রাসূল সাঃ তার দুই নাতীকে এই দোয়া পড়ে শোনাতেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেন।
তিনি বলতেন, ইবরাহীম (আ:) এ বাক্যদ্বারা তার দু সন্তান ইসমাঈল এ ইসহাক (আ:) কে হিফাজাত করতেন।

বুখারী (৬৪-কিতাবুল আম্বিয়া, ১২ বাব- ইয়াযিফফুন) ৩/১২৩৩

সুতরাং,
মুসলিম মা ও বোনদের আহ্বান করবো ইসলামের পথে ফিরতে। শির্ক এর পথে না চলতে।
আসুন, আমরা শয়তানের পথ ছেড়ে আল্লাহর দেখানো পথে চলতে শুরু করি।
তিনি আমাদের সকল বালা মুছিবত থেকে আছান দিবেন ইনশাআল্লাহ।
প্রত্যেক পিতা-মাতার প্রতি উদার্ত আহ্বান জানাচ্ছি এই মর্মে,
আপনারা সকাল সন্ধ্যায় এই দোয়া গুলো পড়ে সন্তানদের শরীরে ফুঁক দিবেন আশাকরি।
আর সেই সাথে তাদের নিরাপত্তা প্রার্থনা করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে।
রাহমানুর রাহীম আমাদেরকে তার রহমতের ছায়া তলে আশ্রয় দান করুন।
আমীন।

শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬

থার্টি ফার্স্টনাইট


**থার্টি ফার্স্টনাইট ** 

Ayub ANsary

উলঙ্গাপনা নষ্টমির ভয়াবহ অভিশপ্ত একটি রাত! 
আর মাত্র কয়েকঘন্টা বাঁকি। 
অধীর আগ্রহে সেচ্ছায় ধর্ষিতা হওয়ার অপেক্ষায় বসে আছে হাজার হাজার উচ্ছৃঙ্খল তরুণী। 
আর এই মোক্ষম সুযোগ কাজে লাগাতে অপেক্ষায় আছে প্রেমিক নামধারী কিছু নষ্ট প্লেবয়। 
এরপর বেলাশেষে সন্ধ্যার আগমন তাদের হৃদয় আকাশে উচ্ছাসের মাত্রা বাড়াবে প্রোজ্জ্বল শশির মত। 
অতি আধুনিক তরুণীরা নানা বাহানায় বয়ফ্রেন্ডের আবদার রাখতে রাতে বাসা থেকে বের হয়ে আসবে। 
আর হোস্টেল বা মেসে থাকা স্বাধীন রমনীদের কোন ধরনের সমস্যা নেই। 
। 
এরপর ফুল হাতে দাঁড়িয়ে থাকবে দেহলোভী বয়ফ্রেন্ডরা। 
একসময় মদ খেয়ে মাতাল হয়ে পড়বে দুজনেই। 
অতঃপর রাতের অন্ধকারে হোটেল কিংবা বিভিন্ন স্থানে দেহের সাময়িক সুখের উন্মাদনায় নিজের পবিত্র দেহ সঁপে দেবে বিছানায় কিছু নারী। 
আর তাকে ভালবাসার দোহাই দিয়ে ভোগ করবে, মাংসলোভী পুরুষ নামধারী কিছু পশু। 
রাত শেষ ভালবাসাও শেষ!! 
ভদ্র পোশাকের আড়ালে লুকিয়ে রাখবে নিজের পশুত্ব মনোভাব এই মানুষ গুলো। 
কেউ কেউ ছুটে যাবে ডাক্তারের চেম্বারে জন্মনিরোধ পিল খেয়ে নষ্ট করতে তাদের সাময়িক সুখের ফসল হিসেবে সৃষ্ট ভ্রূণ। 
আর ডাক্তার বলবে এরকম ভুল হতেই পারে সমস্যা নাই অতঃপর উচ্ছাসিত হৃদয়ে বের হয়ে আসবে । 
তথাকথিত প্রেমিক যুগল ডাক্তারের কাছ থেকে পারমানেন্ট সেক্স করার অনুমতি পেয়ে এটাকে অভ্যাসে পরিনত করবে। 
কিছুদিন পর সঙ্গী পাল্টিয়ে আবার শুরু হবে এই নষ্টামির খেলা। 
অনেকে ২৫ ডিসেম্বর থেকে এটা সেলিব্রেট করা শুরু করে দিয়েছে । 
কারন একাধিক বয়ফ্রেড বা গার্লফ্রেন্ডকে একদিনে সময় দেয়া যায়না। 
তাই আগে থেকেই তারা সেলিব্রেট শুরু করে আজ একজন, কাল আরেকজন এভাবে। 
অবশ্য এসব ছেলেমেয়ের অভিভাবকদের অপরাধ কম নয় । 
অতিরিক্ত স্বাধীনতা দিতে গিয়ে আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলতে তাদের ঠেলে দিচ্ছে নাইট ক্লাব সহ নানা প্রকার অপকর্মের অন্ধকার গুহায়। 
একসময় ইয়াবা মদ খেয়ে লিভ টুগেদারে ব্যস্ত হয়ে পড়বে আর হত্যা করবে পিতামাতাকেও। 
যার বাস্তব তার প্রমাণ #ঐশী । 
একদিন তাদের মৃত্যু হবে, জগতের আদালত থেকে বেঁচে গেলেও স্রষ্টার আদালত থেকে মুক্তি পাবেনা। 
ভালবাসা একটা পবিত্র বন্ধন স্রষ্টা প্রদত্ত স্বর্গীয়। 
যেখানে, একজনের প্রতি অন্যজনের দৈহিক নয় মানসিক আকর্ষণ থাকবে। একজনকে অন্যজন বিশ্বাস করবে শ্রদ্ধা করবে। 
না দেখেও সবসময় হৃদয়ের গভীর থেকে প্রিয় মানুষটিকে অনুভব করবে। 
কিন্তু , 
ভালবাসার নামে সেচ্ছায় ধর্ষিত হওয়া এসব মেয়ের কি বিচার হওয়া উচিত?? 
আর ধর্ষক যুবক গুলোর কি শাস্তি হওয়া উচিত???? 
যারা পবিত্র ভালবাসায় লেপ্টে দিচ্ছে পাপের কাদা.........

বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

ইসলামের দৃষ্টিতে থার্টি ফার্ষ্ট নাইট

থার্টি ফার্ষ্ট নাইট উদযাপনে মুসলিমদের অংশ গ্রহণ জায়েয কিনা? 

কোনো মুসলিমের জন্য হিন্দু বা বিজাতীয়দের কোনো উৎসব, পুজা-পার্বন তথা কাফিরদের যে কোনো উৎসবে অংশ গ্রহন করা বৈধ নয়। 
Ayub Ansary


রাসুল সা বলেছেন: من تشبه بقوم فهو منهم "যে বিজাতির অনুসরণ করে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে ।" 
থার্টি ফাস্ট নাইট মূলত কাফিরদের উদ্ভাবন করা বেহায়াপনা উৎসব।
নাচ গান বাজনা বেহায়াপনা উলঙ্গপনা দিয়েই ই এ উৎসবের সূচনা। 
কাফিরদের উৎসবে যোগ দান মূলত তাদের কুফুরি কাজকে সমর্থন করা ও সহযোগিতার শামিল । 
মুসলিম হয়েও যারা এই সকল উৎসবে তাদের বন্ধু ও পরিবার পরিজন নিয়ে যোগ দেয় তারা জাহান্নামের আগুনের দিকে নিজেদেরকে ঠেলে দিচ্ছে ও সভ্যতার নামে বিশ্ব বেহায়া অসভ্য বর্বর জাতি হিসেবে নিজেকে ও তাদের বাচ্চাদের গড়ে তুলছে। 
আললাহ তায়ালা বলেন: و دوا لو تكفرون كما كفروا فتكونون سواء(سورة النساء 89) "কাফিররা চায় তারা যেমন কাফির হয়েছে তোমরাও তাদের মত কাফির হয়ে তাদের মত সমান হয়ে যাও" 
(।সুরা নিসা 89) 
শুধু নামে মুসলিম হলে জান্নাত লাভ হবে না ও জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে না বরং নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত ইত্যাদি যাবতীয় নেক আমল আদায় করলে এবং যাবতীয় পাপাচার ও কবিরা গুনাহ ও কুফুরি কাজ পরিত্যাগ করলে ইসলামের হালাল হারামের বিধান মেনে চললেই জান্নাত লাভের আশা করা যাবে।
। 
আল্লাহ তায়ালা বলেন: والذين لا يشهدون الزور ( سورة الفرقان) 
"আর রহমানের (আল্লাহ তাআলার নেক) বান্দাহ হচেছন তারাই, যারা মুশরিকদের অনুষ্ঠান, শির্ক, মূর্তিপূজা ও এ জাতীয় অসার উৎসবে অংশগ্রহণ করে না।" 
(সূরা আল-ফুরক্বান) 
যে সকল মুসলিম কাফিরদের উৎসবে যোগ দান করে তাদের জিজ্ঞেস করব কোনো কাফির কি মুসলিম দের ঈদগাহে, মসজিদের নামাজে অংশ গ্রহণ করছিল? 
তাহলে কোন বিবেকে কিছু মুসলিম কাফিরদের কুফুরি উৎসবে যোগ দান করে? ইব্রাহিম আলাইহিস সালামকে মূর্তি পূজা অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে দাওয়াত দিলে তিনি সাথে সাথে তা অস্বীকার করে সরে পড়েন। 
তাই মুসলিমদের জন্য ইব্রাহিম আ. এর সেই আদর্শ অনুসরণ করা উচিত। কোনো নববর্ষের শুরুতে কোনো প্রকার অনুষ্ঠান করার অনুমতি ইসলাম দেয় না। 
অন্যান্য দিনের মতই এটি একটি দিন। 
সর্বক্ষণ অতীতের গুনাহের জন্য তাওবা করা ও ভবিষ্যতে নেক আমলের সিদ্ধান্ত নেওয়া ও আল্লাহর কাছে দোয়া করাই মুসলিমদের কাজ। 
কিন্তু যারা তা না করে কুফুরি করে ও কুফুরি উৎসবে যোগ দান করে তাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে। 
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সঠিক মুসলিম হবার ও কুফুরি কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন আমিন।
আর মুসলিমদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, দাওয়াত দেওয়ার মন মানষিকতা দান করুন। 
আমীন।