Cute Orange Flying Butterfly ‎অচিনপুরের আইয়ুব‬
আস-সালামু আলাইকুম। ♥ আমি আইয়ুব আনসারি। আমার লেখাগুলো পড়তে প্রত্যহ ব্লগটি ভিজিট করুন

রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কুষ্টিয়ায় মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে আটক

হত্যাকুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাঁর ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের আংদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই নারীর নাম বানু খাতুন (৪৫)। তিনি আংদিয়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। আটক ছেলের নাম জুয়েল রানা (২৬)। এই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মায়ের কাছে জমি বিক্রির জন্য আবদার করেন জুয়েল রানা। কিন্তু মা এতে বাদ সাধেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। অভিযোগ উঠেছে, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজিত জুয়েল ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাকে কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে আটক করে।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) নূর-ই-আলম সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক জমি বিক্রির বিষয় নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া মাদক কেনার টাকা চেয়ে না পেয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলেও শোনা যাচ্ছে। সব বিষয়ই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। থানায় হত্যা মামলা নেওয়া হচ্ছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান বলেন, থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর ভালো লাগেনি। এ জন্য তিনি এ কাজ করেছেন। 
সোর্সঃ প্রথম আলো

৬৪ জেলার মাটি দিয়ে মানচিত্র

৬৪ জেলার মাটি নিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র তৈরি করেছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার শুভংকর পাল।  ছবি:  প্রথম আলো৬৪ জেলার মাটি নিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র তৈরি করেছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার শুভংকর পাল। ছবি: প্রথম আলোবড় শখ ছিল শুভংকরের, সাইকেলে দেশের ৬৪টি জেলা ঘুরে দেখবেন। বাদ সাধলেন বাবা। বাধা পেলে বুদ্ধি খেলে! দেশের ৬৪ জেলার মাটি সংগ্রহ করে বাংলাদেশের মানচিত্র বানালে কেমন হয়। একসঙ্গে ৬৪ জেলার মাটি স্পর্শ করা যাবে। পাওয়া যাবে একসঙ্গে সারা বাংলার মাটির গন্ধও।
কিন্তু ৬৪ জেলার মাটি সংগ্রহ হবে কীভাবে? ফেসবুকের বন্ধুদের কাছে নিজ জেলার মাটি কুরিয়ারে পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানান শুভংকর। মাটির পরিমাণ বলে দিয়ে কুরিয়ারের খরচ পাঠানোর ইচ্ছেও প্রকাশ করেন। কিন্তু যাঁরা মাটি পাঠিয়েছেন, তাঁরা কেউ টাকা নিতে রাজি হননি।
শুভংকর পালশুভংকর পালকুরিয়ারে প্রথম মাটি আসে নাটোর থেকে। এক মাসের মধ্যেই ২০ জেলা থেকে মাটি চলে আসে শুভংকরের কাছে। ১২ জেলার মাটি নিজেই সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে মেহেরপুরের মুজিবনগরের, ঝিনাইদহের কবি গোলাম মোস্তফার বাড়ির, বাগেরহাটে ষাটগম্বুজ মসজিদ এলাকার, কক্সবাজারের হিমছড়ি পাহাড়ের, মাগুরায় সীতারাম রায়ের বাড়ির, পাবনার এডওয়ার্ড কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মাটি সংগ্রহ করেন শুভংকর। নিজ জেলা ফরিদপুরের মাটি সংগ্রহের ক্ষেত্রে একটু পক্ষপাতিত্ব করেছেন তিনি। ফরিদপুরের মাটি তিনি সংগ্রহ করেছেন নিজ গ্রাম বারাংকুলা থেকে। তাঁর মতে, ‘যে মাটিতে পা রেখে আমি পৃথিবী দেখেছি, ৬৪ জেলার মাটি দিয়ে মানচিত্র বানানোর স্বপ্ন দেখেছি; সেই গ্রামকে বাদ দিব কোন যুক্তিতে?’ শেরপুর, মুন্সিগঞ্জ ও ঝালকাঠির মাটি সংগ্রহে তাঁকে সাহায্য করেছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের বারাংকোলা গ্রামের তরুণ শুভংকর পালের (২৩) বাবা পল্লিচিকিৎসক নিহার রঞ্জন পাল। মা অমৃতা পাল। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়। বাড়িতে কাকা দিলীপ কুমার পাল মাটি দিয়ে বিভিন্ন মূর্তি গড়তেন। কাকার সঙ্গে মাটির কাজে হাত লাগাতেন শুভংকর। বললেন, ‘আমি যেকোনো মানুষের মুখ মাটি দিয়ে গড়ে দিতে পারি।’ এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্নাতক পাস করেছেন ‘ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া’ বিষয়ে।

শুভংকরের নির্মাণ করা বাংলাদেশের মানচিত্র দৈর্ঘ্যে ২৮, প্রস্থে ১৮ ইঞ্চি। মানচিত্রটি রাখা হয়েছে কাচঘেরা একটি কাঠের বাক্সে। মানচিত্রের প্রতিটি জেলা তৈরি হয়েছে সে জেলার মাটি দিয়ে।

শুভংকরের মা অমৃতা পাল বলেন, ‘ও যে কাজ করছে তা শুধু ওর নিজের জন্য নয়; আমাদের পরিবারের জন্য, এ দেশের জন্য গৌরবজনক।’
সোর্সঃ প্রথম আলো

গাজীপুরে শ্রমিকের মৃত্যুর গুজবে মহাসড়ক অবরোধ

গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। ছবি: প্রথম আলোগাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। ছবি: প্রথম আলোপানি খেয়ে অসুস্থ শ্রমিকদের মৃত্যুর গুজবে গাজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। সড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
আজ রোববার সকাল ১০টা থেকে গাজীপুরে মালেকের বাড়ি থেকে টঙ্গী যাওয়ার পথে হারিকেন মোড় নামক স্থানে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন শ্রমিকেরা।
মহাসড়ক অবরোধ করলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ছবি: প্রথম আলোমহাসড়ক অবরোধ করলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ছবি: প্রথম আলোশ্রমিক, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মালেকের বাড়ি এলাকায় অবস্থিত নিট অ্যান্ড নিটেক্স প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার বেশ কিছু শ্রমিক গতকাল শনিবার রাতে কারখানার পানি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আজ সকাল আটটার দিকে অন্য শ্রমিকেরা কাজে এসে কারখানার প্রধান ফটকে এ নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। হঠাৎ করে কে বা কারা কয়েকজন শ্রমিক মারা গেছেন বলে গুজব ছড়ালে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা মহাসড়কে গিয়ে অবস্থান নেন। তারা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। টায়ার জ্বালিয়ে সড়কের মাঝে রেখে বিক্ষোভ করা হয়। অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
এ ব্যাপারে গাজীপুর শিল্প পুলিশ সুপার গোলাম রউফ খান বলেন, গত রাতে কারখানার পানি খেয়ে ৩৮ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। কোনো শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে সকালে অসুস্থ শ্রমিকদের কয়েকজন মারা গেছেন দাবি করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেন কারখানার অন্য শ্রমিকেরা। তাঁদের বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Source: 

Prothom Alo

মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ভার্সিটি নাকি ভাতৃত্ব???



জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত এক ভাইয়ের সাথে আমার কিছুক্ষনঃ-
নবিনগর থেকে মানিকগঞ্জ যাচ্ছিলাম।
জানালার পাশের সীটেই বসেছিলাম। একটু বাতাস খাওয়ার জন্য। হটাত একজন ভদ্রলোক পাশের সীটে বসল।
বসেই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল, কোথায় যাবা?
আমিঃ- জ্বী ভাইয়া, আমি মানিকগঞ্জ পর্যন্ত যাব।(কাউকে অতিরিক্ত প্রশ্ন করাটা আমার কাছে বিরক্তিকর বলে কিছু বললাম না, চুপ রইলাম।)
তিনি আবারোও প্রশ্ন করলেনঃ- কোথায় পড়াশোনা করো?
আমিঃ- _______ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে পড়াশোনা করছি।
(আমার কথা শুনেই তিনি কেমন জানি মুখটা বাঁকা করলেন।)
আবারোও বলতে লাগলেনঃ- কোন ডিপার্টমেন্টে কোন শিফটে  পড়ো?
আমিঃ- সিভিল ___ সেমিস্টার , ১ম শিফট।
তিনিঃ- এসব পড়ে কি করবা? পলিটেকনিকে তো যায় বলদ স্টুডেন্টরা।
ডিপ্লোমা করে কি হবে?
(এতক্ষণ শুনেই যাচ্ছিলাম)
আবারোও বলতে লাগলেনঃ- কিছু সাধারন জ্ঞান ধরলে পারবা?
আমিঃ- চেস্টা করব।
তিনিঃ- বলতো দেশে কয়টা বিভাগ রয়েছে?
আমিঃ- বর্তমানে দেশে ৮ টি বিভাগ রয়েছে। আরোও একটি প্রস্তাবিত।
তিনিঃ- ৭ টা থেকে ৮ টা ! শেষের টা কি তোমার বাবায় বানাইছে?
আমিঃ- সরি ভাইয়া। আপনি এ ব্যাপারে প্রথমে বিস্তারিত জানুন। তারপর বিতর্ক করুন।
তিনিঃ- এসব সাধারণ জ্ঞান আমার ঠোঠস্থ। এমনিতেই অ্যাডমিশন হয়নি।
পারলে ধরে আটকাও।
আমিঃ- না ভাইয়া। আমি প্রশ্ন করতে পারবো না।
তিনিঃ- জানা থাকলে তো করবা?
আমিঃ- আচ্ছা বলেন তো দেশের সবচেয়ে বড় বিল এর নাম কি এবং কোথায় অবস্থিত?
তিনিঃ- চলন বিল। দেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
আমিঃ- আমি জানতে চাচ্ছিলাম কোন জেলায় ?
তিনিঃ- এটা কোন প্রশ্ন হলো? আমি বলেই দিলাম যে উত্তরাঞ্চলে।
আমিঃ- আচ্ছা বুঝলাম। পলাশীর যুদ্ধ কোন নদীর তীরে হয়েছিল?
তিনিঃ- পলাশীর যুদ্ধ হয়েছিল পলাশীর প্রান্তরে। এখানে কোন নদীর নাম উল্লেখ নাই।
আমিঃ- ঠিক আছে ভাইয়া। আমি আর কিছু প্রশ্ন করতে পারবো না।
তিনিঃ- আমারোও নামার সময় হয়েছে। নয়তো তোমাকে কিছু শেখাতাম।
আমিঃ- ঠিক আছে ভাইয়া। দোয়া করবেন।

এখন দেখুনঃ-
আমি ডিপ্লোমা করি এটা আমার পছন্দ অনুযায়ি।
আর তিনি জাবিতে পড়েন তার পছন্দানুযায়ি।
কিন্তু তিনি যে পার্ট নিলেন সেই অনুপাতে তিনি কচু জানেন।
আসলে এখনোও এমন ব্যাক্তি আছে বলে জানতাম না।
যিনি নিজেই কিছু জানেন না। তিনিই অন্যকে জ্ঞান দিচ্ছেন।
কিন্তু গতকাল তার প্রমান পেয়েই গেলাম।
আসুন আমরা সকল স্তরের মানুষদেরকে ভালোবাসতে শিখি। 
তাদেরকে মূল্যায়ন করতে শিখি। 

প্রেমের শেষ পরিণতি...





রাতের আঁধারে একলা ঘরে চুপচাপ শুয়ে আছে অর্পিতা।
বালিশের সাথে মুখ লাগিয়ে বোবা-কান্না করছে।
শব্দ করে কান্না করার শক্তিটুকুও পাচ্ছে না।
এই ছোট্ট জীবনে যা কিছু অর্জন করেছিল তা নিমিষেই হারিয়ে ফেলেছে।
তার ভবিষ্যৎ এখন হাতের মুঠোয়।
এখন কি করবে সে? সকাল হলেই তো তার চরিত্র নিয়ে
মানুষেরা বলাবলি শুরু করবে।
সে সমাজে মুখ দেখাবে কি করে?
এসব প্রশ্ন ঘুরছে অর্পিতার মাথার ভেতরে।
আসুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিতঃ-
সবেমাত্র কলেজ লাইফে পদার্পণ করেছে অর্পিতা।
মেয়ে টা মিশুক প্রকৃতির হওয়ার দরূণ সবার সাথেই ভাল সম্পর্ক তার।
তারপরেও সোহানের সাথে মাত্র কয়েকদিনেই তার গভীর ভাব
গড়ে উঠে।
এভাবেই কেটে গেল মাসের পর মাস।
অবশেষে তারা একে অপরের GF/BF এ পরিণত হলো।
এভাবেই চলল কিছুদিন। একে অপরের প্রতি অনেক বিশ্বস্ত।
এরই মাঝে চলে আসলো সোহানের জন্মদিন।
জন্মদিনের পার্টিতে অর্পিতা যেন উপস্থিত থেকে সে জন্য
খুব করে অনুরোধ করল সোহান।
অবশেষে অর্পিতাও রাজী হয়ে গেল।
৭ ই সেপ্টেম্বর সোহানের জন্মদিন। ৬ তারিখে বিকালেই
অর্পিতা সোহানের বাসার দিকে রওণা দিলো।
খুব করে আয়োজন চললো। এদিকে পার্টিতে আরোও উপস্থিত হলো
সোহানের কিছু ফ্রেন্ড। যাদের চেহারা দেখেই অর্পিতা ডর পেয়েছিল। কি
সে ভয়ঙ্কর চেহারা তাদের।
সে প্রথমেই তাদের উপরে সন্দেহ করেছিল।
তখন রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট। শুরু হলো কেক কাটা।
কার্যক্রম প্রায় শেষের পথে। সবাই চলে গেল যার যার মত।
শুধু তারা ২ জনে এক রুমের ভেতরে অবস্থান করলো।
শুয়ে শুয়ে ২ জনে গল্প করছিল।
সোহানের হাত কিছুক্ষন পরপর অর্পিতার বুকে ঘেঁষ খাচ্ছিল।
যদিও অর্পিতা টের পাচ্ছিল, কিন্তু কিছু বলার সাহস পায়নি।
একসময় তো সোহান অর্পিতাকে পুরোপুরি জড়িয়েই ধরলো।
অবশেষে শুরু হলো তার উপর নির্যাতন।
কিছুক্ষণ পর আরোও কয়েকজন নরপিশাচ যোগ দিল সোহানের সাথে।
কিছু করতে চেয়েও বাধা দিতে পারল না সে।
রক্ষা করতে পারলো না নিজের সতীত্ব।
সে তো ভাবতেও পারেনি যে আজ তার সাথে এমন আচরণ করবে
একজন বিশ্বস্ত ব্যাক্তি।

( একটি অসমাপ্ত জীবন ও তার গল্প। )
#অচিনপুরের_আইয়ুব


রবিবার, ৬ মে, ২০১৮

হারানো প্রেমিকা কে ফিরে পাবার ১০০% কার্যকরি যাদু।




আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আমি আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভালো আছি।
অনেকদিন ধরে নতুন কিছু লেখার সুযোগ হয়নি।
আজ একটি অদ্ভুত ধরণের বিষয় নিয়ে লিখবার ইচ্ছে জাগলো। তাই অবশেষে লিখতে বসলাম।
ভূমিকা শেষ। এবার কাজে নেমে পড়িঃ

আপনি হয়তো অতি উৎসুক হয়ে এসেছেন পোষ্টটি পড়তে। আর আমি আপনাকে এখন পর্যন্ত উৎসাহিত করছি পুরো পোষ্ট টি পড়বার জন্য।
আশাকরি আপনি পুরোটি পড়বেন। ( ইনশাআল্লাহ্‌ )

উল্লিখিত বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই প্রেম সম্পর্কে কিছু কথা বলতে হয়।
প্রেম সম্পর্কে আমি পূর্বে অনেক ধরণের যুক্তি দেখিয়েছি। সেই সাথে দেখিয়েছি  শারয়ী বিধানসমূহ।
আপনি কখনো না পড়ে থাকলে এখানে ক্লিক করে পড়ে আসুন।
প্রথমত প্রেমের সম্পর্ক মানেই অবৈধ সম্পর্ক।
প্রতিটি মুসলিমের উচিত এ ধরণের অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করা।
কেননা, এমন সম্পর্কের পেছনে রয়েছে আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসূলের ( সাঃ ) অভিসম্পাত। ( আল্লাহুম্মাগফিরলী )
সুতরাং আমাদের প্রথম করনীয় কাজ হচ্ছে প্রেম থেকে দূরে থাকা। কাউকে প্রেমের ফাঁদে আটকানো কখনোও ভালো কাজ নয়।
আর এর পরিণামও ভালো হবেনা।

এবার আসি আজকের পোষ্টের শিরোনাম প্রসঙ্গে...

জাদু ! একটি হারাম কাজ। এ ব্যাপারে ইসলামী শরিয়তে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
জাদু একটি অভিশপ্ত কাজ। এর দ্বারা আল্লাহর সাথে অন্য বস্তুকে শরীক করা হয়।
জাদু করার মাধ্যমে মানুষ মুসলিম থেকে খারিজ হয়ে কাফির হয়ে যায়।
জাদু সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুল আ'লামীন পবিত্র কালামে মাজীদে বহু আয়াত নাযিল করেছেন।
তন্মধ্যে জাদুর ইতিবৃত্তান্ত জানার জন্য আপনি সূরাতুল বাক্বারাহ্‌ এর ১০২ নং আয়াতের তাফসীর দেখতে পারেন।

জাদু একটি গর্হিত কাজ। আপনি যদি কখনো জাদুকরের কাছে যান আর কাউকে বশ করার জন্য বা কারো ক্ষতি করার জন্য জাদু করেন তবে আপনি সঙ্গে সঙ্গেই অমুসলিম হয়ে যাবেন।
আর পরকালে আপনি জান্নাত অর্জন করতে পারবেন না।
ভোগ করবেন অনন্তকালীন শাস্তি।

সুতরাং জাদু থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করুন।

আমাদের আগামী টপিকঃ

** জাদু সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা**  

জাদু সংক্রান্ত যে কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের ফেসবুক পেইজে কমেন্ট / ইনবক্সে বলতে পারেন। আমরা যথাসম্ভব মানসম্পন্ন উত্তর প্রদান করবো। ( ইনশাআল্লাহ্‌ ) 

সোমবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৮

Anti sihr recipe / Recipe for anti Black Magic.

Anti Magic recipe


Anti-Sihr recipe. 



* প্রয়োজনীয় উপকরণঃ- 


১।  মধু  ৩৫ - ৪৫%
২।  কালোজিরার তেল  ১৮ - ২৪%
৩।  অলিভ অয়েল  ১৫ - ২০% 
৪।  বরই তেল  ৫ - ৭.৫%
৫।  প্রপোলিস  ২ - ৫%
৬।  লেবু ( অতিরিক্ত ) 

* প্রস্তুতপ্রণালীঃ-

একটি পাত্রে উপরোক্ত সকল উপাদান নির্দিষ্ট অনুপাতে একত্রিত করুন।
ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিন।
( এখানে পানি মিশাবেন না। )
এরপর আপনি সূরা ফাতিহা সহ সূরা বাক্বারাহ্‌ ও আলেইমরান পুরোটা পড়ুন।
পড়ার মাঝে মাঝে মিশ্রণের উপর ফুঁ দিন।
এভাবে পড়া শেষ হলে আপনি রুকইয়া সম্পর্কিত আয়াতগুলো পড়ুন।
আল্লাহ যেহেতু বিজোড় সংখ্যা অধিক পছন্দ করেন তাই অন্তত ৩ বার করে পড়ুন।
সাথে হাদিসের দোয়াগুলোও পড়ুন। যেমন বিসমিল্লাহি আরকিক্ব...... !!

সব পড়া শেষ হলে ঢাকনা বা ক্যাপ দিয়ে পাত্র ঢেকে দিন।
আপনার Anti Sihir Cocktail প্রস্তুত।
এখন আপনি এটি পরিমিত মাত্রায় সেবন করুন বা রোগীকে সেবন করার পরামর্শ দিন।

Note: If you Don't know Bengali, you can translate this site by using Google Translate. 

সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

নগর পুলিশের সাক্ষাৎকার




নগর পুলিশের সাক্ষাৎকার 
- আইয়ুব আনসারী  

নগর পুলিশ , নগর পুলিশ ; 
হাতে তোমার কি? 
ছিল আগে টাকার থলে , 
পকেটে রেখেছি ।  

পুলিশ তুমি ? 
অস্ত্র কোথায় ? 
দেখাবো নাকি ? 
যেথায় সেথায় ? 

পোশাক কোথায় ? 
পুলিশ নাকি জনসাধারণ, 
চেনাটাও যে দায়! 
না  লাগে আর পোশাক আশাক , 
ছুটে চলি টাকা যেথা পাই। 

পুলিশ , ও পুলিশ ? 
তুমি নাকি জনতার? 
তোমার নামে কেনো নালিশ? 
নামটা আজ তিক্ত ঘৃণার? 

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

এক নজরে কর্ণফুলী - আইয়ুব আনসারী

"ভ্রমণ অভিজ্ঞতা" 








স্থানঃ- কর্ণফুলী নদী 

. 
বসন্ত মানেই মন মাতানো মনোহর সব দৃশ্য। 
আর এই সময়ে নদী ভ্রমণ সত্যিই অনেক আনন্দদায়ক। 
আপনি এই সময়টা তে নদী ভ্রমণের মতো আনন্দ আর কোথায় খুঁজে পাবেন বলে আমার মনে হয় না।
নীল আকাশ আর নদীর মিতালী দেখলে মনপ্রাণ ভরে যায়।
নীল আকাশের শুভ্র গাঙচিলদের নিরলস টহল দেখলেই মুক্ত আকাশে ঠিক সেভাবেই উড়তে মন চায়।
কিন্তু!! নদী পাড়ের সেই মুমুর্ষু ব্যক্তিগুলোর জীবনযাত্রা'র দিকে নজর গেলেই সব থমকে দাঁড়ায়।
সে কি! আমি যে সাম্পানের উপর আরোহন করেছি সেই সাম্পানের চালকও তো সেখানকারই একজন।
আমরা রঙ বেরঙের মন মাতানো সব সরঞ্জামে সুসজ্জিত থাকলেও তিনি তো অতি সাধারণ বেশেই আমাদের সেবা করে যাচ্ছেন।
.
জীবনের ধাপে ধাপে এমন বাস্তবতা অবলোকন করার জন্য হলেও আমাদের উচিত এমন ভ্রমণ করা। 
এতে একদিকে মন আকাশ প্রশস্থ হবে।
অপরদিকে, সমাজের বাস্তব চিত্র সম্পর্কে সম্যক অবগত হওয়া যাবে। 

বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৭

ধানক্ষেত







    ধানক্ষেত

- আইয়ুব আনসারী 
 

দিগন্তের পাণে তাকাই যতদূর, 

সবুজ অপরূপ ধানক্ষেত; 

পাখির কলতান সু-মধুর! 

এপাশ-ওপাশ, চারিপাশ দোলে, 

দখিনা হাওয়ায় ইচ্ছে ঢেউ খেলে। 



দেখি ধানক্ষেত অপলক, 

সকাল বিকাল সূর্যালোক। 

হারাই সবুজের সমারোহের দুনিয়ায়, 

দেখি কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি; 

আহা! কায়া ছন্ন মনে সুখ পায়।

. 

ছুটি মাঠে বারেবার-ছেড়ে শহুরে ধোঁয়া, 

বুক ভরে নিই শ্বাস, 

যেন পাই স্বর্গীয় ছোঁয়া।।